জনতা ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে গুলি করে চারজনকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় গত বুধবার জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় বন্দুকধারী। এতে দুই শিক্ষার্থী এবং দুই শিক্ষক নিহত হন। আহত হন আরও ৯ জন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক কিশোরকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। ১৪ বছর বয়সি ওই কিশোরের নাম কোল্ট গ্রে। সে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। জর্জিয়া তদন্ত ব্যুরোর প্রধান ক্রিস হোসি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ওই কিশোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে এবং বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আপালেচি হাইস্কুলের তদন্তকারী কর্মকর্তা বলছেন, স্কুলে হামলার হুমকি দেয়ায় গত বছরও এই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই)। তবে এফবিআই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৩ সালে স্কুলে হামলা করার হুমকি দিয়ে অনলাইনে পোস্ট দেয়ার পর ১৩ বছরের এক কিশোর এবং তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। এফবিআইয়ের বিবৃতিতে ওই কিশোরের নাম উল্লেখ করা হয়নি। যদিও জর্জিয়ার কর্মকর্তারা বলেছেন, স্কুলে গুলি চালানোর ঘটনায় যে কিশোরকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয়া হয়েছে, সেই হুমকি দেয়ার ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে। এফবিআই বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে তখন ওই কিশোরের বাবা বলেছিলেন, সে (কিশোর) বাড়িতে বন্দুক খুঁজছিল। কিন্তু বিনা তত্ত্বাবধানে অস্ত্র পাওয়ার সুযোগ তার ছিল না। ওই কিশোরও অনলাইনে হুমকি দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। জ্যাকসন কাউন্টি কর্তৃপক্ষ তখন স্থানীয় স্কুলগুলোকে এ ব্যাপারে নজর রাখার জন্য সতর্ক করেছিল। তবে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করার মতো কোনো কারণ তখন খুঁজে পায়নি এফবিআই। সন্দেহভাজন কিশোরকে তদন্তকারীরা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তবে কী উদ্দেশ্য নিয়ে সে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, সে ব্যাপারে কিছু জানতে পেরেছেন কি না, তা বলতে অপারগতা জানিয়েছেন তারা। এছাড়া হামলায় কী ধরনের বন্দুক ব্যবহার করা হয়েছে- সে বিষয়েও কোনো তথ্য জানাননি তারা। এদিকে, স্কুলে গুলিতে নিহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
